ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্তমান বিশ্বে আরবি ভাষার বহুমাত্রিকতা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 58

বর্তমান বিশ্বে আরবি ভাষার বহুমাত্রিকতা

আজ ১৮ ডিসেম্বর ‘বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস’। ইউনেস্কো ২০১২ সালে এই দিনটিকে বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, কারণ এই দিনেই ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আরবি ভাষা অন্যতম দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা লাভ করে (UN General Assembly Resolution 3190 [XXVIII], 1973)। এই স্বীকৃতি কেবল একটি ভাষার প্রশাসনিক মর্যাদাই নয়; বরং আরবি ভাষার ঐতিহাসিক, জ্ঞানতাত্ত্বিক ও সভ্যতাগত অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

আরবি ভাষা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের একটি কথ্য ভাষা নয়; এটি একটি বৈশ্বিক সভ্যতারও প্রতীক।

আজ বিশ্বের প্রায় ৪২০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ আরবিকে মাতৃভাষা হিসেবে ব্যবহার করে এবং আরো কয়েক শ’ মিলিয়ন মানুষ ধর্মীয়, শিক্ষাগত ও পেশাগত প্রয়োজনে এ ভাষার সাথে যুক্ত (Ethnologue: Languages of the World, 26th edition)। ইসলামি সভ্যতার বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে আরবি ভাষা আফ্রিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে জ্ঞান, আইন ও সংস্কৃতির বাহক হয়ে ওঠে; যার প্রভাব আজও দৃশ্যমান।

আরবি ভাষার প্রথম ও প্রধান বহুমাত্রিকতা প্রকাশ পেয়েছে ধর্মীয় পরিসরে। পবিত্র কোরআনুল কারিমের ভাষা হিসেবে আরবি মুসলিম বিশ্বের জন্য কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি ইবাদত, আইন ও আধ্যাত্মিকতারও কেন্দ্রীয় ভাষা।

নামাজ, দোয়া, তিলাওয়াত; সব ক্ষেত্রেই আরবি অপরিহার্য। এ বাস্তবতা আরবি ভাষাকে একটি ‘Living Sacred Language’-এ পরিণত করেছে, অর্থাৎ আরবী এমন একটি ভাষা যা একদিকে পবিত্র  ধর্মীয় ভাষা, আবার অন্যদিকে আজও জীবিত ও ব্যবহারিক।  আর সহস্রাব্দ পেরিয়েও তা মৌলিক রূপে সংরক্ষিত (Versteegh, The Arabic Language, Edinburgh University Press)।
তবে আরবি ভাষার বহুমাত্রিকতা শুধু ধর্মীয় পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়।
জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বর্তমান বিশ্বে আরবি ভাষার বহুমাত্রিকতা

আপডেট সময় : ০৬:৪০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

আজ ১৮ ডিসেম্বর ‘বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস’। ইউনেস্কো ২০১২ সালে এই দিনটিকে বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, কারণ এই দিনেই ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আরবি ভাষা অন্যতম দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা লাভ করে (UN General Assembly Resolution 3190 [XXVIII], 1973)। এই স্বীকৃতি কেবল একটি ভাষার প্রশাসনিক মর্যাদাই নয়; বরং আরবি ভাষার ঐতিহাসিক, জ্ঞানতাত্ত্বিক ও সভ্যতাগত অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

আরবি ভাষা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের একটি কথ্য ভাষা নয়; এটি একটি বৈশ্বিক সভ্যতারও প্রতীক।

আজ বিশ্বের প্রায় ৪২০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ আরবিকে মাতৃভাষা হিসেবে ব্যবহার করে এবং আরো কয়েক শ’ মিলিয়ন মানুষ ধর্মীয়, শিক্ষাগত ও পেশাগত প্রয়োজনে এ ভাষার সাথে যুক্ত (Ethnologue: Languages of the World, 26th edition)। ইসলামি সভ্যতার বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে আরবি ভাষা আফ্রিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে জ্ঞান, আইন ও সংস্কৃতির বাহক হয়ে ওঠে; যার প্রভাব আজও দৃশ্যমান।

আরবি ভাষার প্রথম ও প্রধান বহুমাত্রিকতা প্রকাশ পেয়েছে ধর্মীয় পরিসরে। পবিত্র কোরআনুল কারিমের ভাষা হিসেবে আরবি মুসলিম বিশ্বের জন্য কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি ইবাদত, আইন ও আধ্যাত্মিকতারও কেন্দ্রীয় ভাষা।

নামাজ, দোয়া, তিলাওয়াত; সব ক্ষেত্রেই আরবি অপরিহার্য। এ বাস্তবতা আরবি ভাষাকে একটি ‘Living Sacred Language’-এ পরিণত করেছে, অর্থাৎ আরবী এমন একটি ভাষা যা একদিকে পবিত্র  ধর্মীয় ভাষা, আবার অন্যদিকে আজও জীবিত ও ব্যবহারিক।  আর সহস্রাব্দ পেরিয়েও তা মৌলিক রূপে সংরক্ষিত (Versteegh, The Arabic Language, Edinburgh University Press)।
তবে আরবি ভাষার বহুমাত্রিকতা শুধু ধর্মীয় পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়।