ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনাসহ গণহত্যায় জড়িতদের গুরুত্বপূর্ণ কল রেকর্ড প্রসিকিউশনের হাতে

  • আপডেট সময় : ১১:৪৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • 99

বাংলাস্টেটমেন্ট প্রতিবেদক
জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ জড়িতদের গুরুত্বপূর্ণ ফোনকল রেকর্ড হাতে পেয়েছে প্রসিকিউশন। একইসাথে গুমের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-প্রমাণও মিলেছে।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণহত্যার গুরুত্বপূর্ণ কল রেকর্ড ও গুমের তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার কথা জানান প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জ্বোহা ও বি এম সুলতান মাহমুদ। তবে ট্রাইব্যুনালে তথ্য প্রদানে অসহযোগিতার অভিযোগও করেছেন প্রসিকিউটররা।

এ বিষয়ে প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ বলেন, কলরেকর্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ফরেনসিক পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। কল রেকর্ড, ভিডিও ফুটেজ, টেক্সট ম্যাসেজসহ সব ধরনের তথ্য-প্রমাণ রয়েছে এর মধ্যে।

প্রসিকিউটর তানভীর জ্বোহা জানান, গুমের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ মিলেছে। হত্যাকাণ্ডের আলামত গায়েব করতে সব ধরনের আয়োজন করা হয়েছিল।

আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা নিয়ে নানা আলাপ হলেও এর প্রকৃত সংখ্যা এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। তবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি তালিকা অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ৭০৮। নিহতের সংখ্যা নির্ধারণে তালিকা তৈরির কাজ চলমান।

উল্লেখ্য, জুলাই–আগস্টের আন্দোলনে হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এরই মধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে জারি করেছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

শেখ হাসিনাসহ গণহত্যায় জড়িতদের গুরুত্বপূর্ণ কল রেকর্ড প্রসিকিউশনের হাতে

আপডেট সময় : ১১:৪৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫

বাংলাস্টেটমেন্ট প্রতিবেদক
জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ জড়িতদের গুরুত্বপূর্ণ ফোনকল রেকর্ড হাতে পেয়েছে প্রসিকিউশন। একইসাথে গুমের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-প্রমাণও মিলেছে।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণহত্যার গুরুত্বপূর্ণ কল রেকর্ড ও গুমের তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার কথা জানান প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জ্বোহা ও বি এম সুলতান মাহমুদ। তবে ট্রাইব্যুনালে তথ্য প্রদানে অসহযোগিতার অভিযোগও করেছেন প্রসিকিউটররা।

এ বিষয়ে প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ বলেন, কলরেকর্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ফরেনসিক পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। কল রেকর্ড, ভিডিও ফুটেজ, টেক্সট ম্যাসেজসহ সব ধরনের তথ্য-প্রমাণ রয়েছে এর মধ্যে।

প্রসিকিউটর তানভীর জ্বোহা জানান, গুমের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ মিলেছে। হত্যাকাণ্ডের আলামত গায়েব করতে সব ধরনের আয়োজন করা হয়েছিল।

আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা নিয়ে নানা আলাপ হলেও এর প্রকৃত সংখ্যা এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। তবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি তালিকা অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ৭০৮। নিহতের সংখ্যা নির্ধারণে তালিকা তৈরির কাজ চলমান।

উল্লেখ্য, জুলাই–আগস্টের আন্দোলনে হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এরই মধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে জারি করেছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।