পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) জারি করা হয়েছে। অভিযুক্ত নেতা হলেন আবদুর রশিদ খান ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শহিদুল গাজী।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশিদের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
জানা যায়, নওয়ালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কামাল বিশ্বাসকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন শহিদুল গাজী। ওই পোস্টে তিনি নিজেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সৈনিক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানের আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করার কথা বলেন। পাশাপাশি বিএনপির দুঃসময়ে পাশে থাকার কথাও তুলে ধরেন।
পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সংগঠনের ভেতরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জেলা ছাত্রদলের নজরে এলে তারা তদন্ত করে এবং সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে।
এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পটুয়াখালী জেলা শাখা থেকে তাকে শোকজ নোটিশ প্রদান করা হয়। নোটিশে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ও মৌখিক জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ছাত্রদল নেতা শহিদুল গাজী বলেছেন, ‘জামায়াত নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঙ্গে আমার পুরোনো একট ছবি ছিল। সেই ছবি নিয়ে নওয়ালা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আমাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করতেন। আমাকে ‘গুপ্ত’ বলা হয়েছে। এতে অভিমান করে আমি ফেসবুকে ওই পোস্টটি দিয়েছি। তবে আমি জুলাই আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময়ে বিএনপির দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছি।’




















