ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইলিশ মাছের ওজনে কারচুপি অভিযোগে ব্যাবসায়ীকে ১লাখ টাকা জরিমানা

ইলিশ মাছের ওজনে কারচুপি অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ১লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ বুধবার ( ৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার আনন্দবাজার এলাকায় মাছের পাইকারি ও খুচরা আড়ৎ ও দোকানসমূহে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অভিযানে দেখা যায় মেসার্স সিয়াম মিয়া নামক ইলিশ মাছ বিক্রয়ের দোকানে মাছ বিক্রেতা আপেল মাহমুদ তার নিকট রক্ষিত ওজন পরিমাপক যন্ত্রটিতে বিশেষ ব্যবস্থায় কারচুপির মাধ্যমে ক্রেতাদের অত্যন্ত সুকৌশলে ওজনে কম দিচ্ছিল। ওজন পনিমাপক যন্ত্রের ভেতর মেশিনের সহিত একটি রাবার এবং রশি দিয়ে সংযুক্ত করে তার অপরপ্রান্ত গামছার আড়ালে বিক্রেতার হাতের কাছে থাকত। এ ব্যাবস্থায় বিক্রেতা রশিটি টানা এবং ঢিলে করার মাধ্যমে খুব সহজে ইচ্ছেমত ওজন নিয়ন্ত্রন করত। অভিযানে কারচুপির বিষয়টি তাৎক্ষনিক রশি-রাবার মেশিনসহ ধরা পড়ে। এ সময় অসাধু বিক্রেতা আপেল মাহমুদ কারচুপির বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে ভবিষ্যতে এমন কার্য হতে বিরত থাকবে মর্মে অঙ্গীকার করেন।

এসময় বিক্রেতাকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন,২০০৯ অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। ভবিষ্যতে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে মর্মে এ সময় সতর্ক করা হয়।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রোগীদের স্বস্তি দিতে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইপিএস-সোলার ও ফ্যান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইলিশ মাছের ওজনে কারচুপি অভিযোগে ব্যাবসায়ীকে ১লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ১০:০০:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইলিশ মাছের ওজনে কারচুপি অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ১লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ বুধবার ( ৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার আনন্দবাজার এলাকায় মাছের পাইকারি ও খুচরা আড়ৎ ও দোকানসমূহে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অভিযানে দেখা যায় মেসার্স সিয়াম মিয়া নামক ইলিশ মাছ বিক্রয়ের দোকানে মাছ বিক্রেতা আপেল মাহমুদ তার নিকট রক্ষিত ওজন পরিমাপক যন্ত্রটিতে বিশেষ ব্যবস্থায় কারচুপির মাধ্যমে ক্রেতাদের অত্যন্ত সুকৌশলে ওজনে কম দিচ্ছিল। ওজন পনিমাপক যন্ত্রের ভেতর মেশিনের সহিত একটি রাবার এবং রশি দিয়ে সংযুক্ত করে তার অপরপ্রান্ত গামছার আড়ালে বিক্রেতার হাতের কাছে থাকত। এ ব্যাবস্থায় বিক্রেতা রশিটি টানা এবং ঢিলে করার মাধ্যমে খুব সহজে ইচ্ছেমত ওজন নিয়ন্ত্রন করত। অভিযানে কারচুপির বিষয়টি তাৎক্ষনিক রশি-রাবার মেশিনসহ ধরা পড়ে। এ সময় অসাধু বিক্রেতা আপেল মাহমুদ কারচুপির বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে ভবিষ্যতে এমন কার্য হতে বিরত থাকবে মর্মে অঙ্গীকার করেন।

এসময় বিক্রেতাকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন,২০০৯ অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। ভবিষ্যতে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে মর্মে এ সময় সতর্ক করা হয়।