ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মায় ডুবে যাওয়ার এক দিন পর ভেসে উঠলো স্কুলছাত্রের লাশ

  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • 334

1251
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফুলতলা এলাকায় গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া স্কুলছাত্রের মরদেহ পাওয়া গেছে। ডুবে যাওয়ার প্রায় ২৭ ঘন্টা পর রোববার বিকাল ৫টার দিকে মরদেহটি ভেসে ওঠে।

এর আগে শনিবার দুপুর ২টার দিকে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে শামিম হোসেন (১৪) নামের ওই স্কুলছাত্র পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। শামিম উপজেলার কদমহাজির মোড় এলাকার মৃত টেবলু মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় একটি স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়তো।

এলাকাবাসী জানায়, শনিবার দুপুরে শামিম পানিতে ডুবে যাওয়ার পর অনেক খোঁজাখুজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। রাজশাহী থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল দীর্ঘ সময় পদ্মার তলদেশে সন্ধান চালিয়েও ব্যর্থ হয়।

পরে রোববার বিকাল ৫টার দিকে ডুবে যাওয়া স্থান থেকে প্রায় ৫’শ গজ দুরে ভাটোপাড়া এলাকায় শামিম হোসেনের মরদেহ ভেসে ওঠে। এ সময় স্থানীয়রা মরদেহটি উদ্ধার করে তার পরিবারের লোকজনকে খবর দেন। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রোগীদের স্বস্তি দিতে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইপিএস-সোলার ও ফ্যান

পদ্মায় ডুবে যাওয়ার এক দিন পর ভেসে উঠলো স্কুলছাত্রের লাশ

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

1251
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফুলতলা এলাকায় গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া স্কুলছাত্রের মরদেহ পাওয়া গেছে। ডুবে যাওয়ার প্রায় ২৭ ঘন্টা পর রোববার বিকাল ৫টার দিকে মরদেহটি ভেসে ওঠে।

এর আগে শনিবার দুপুর ২টার দিকে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে শামিম হোসেন (১৪) নামের ওই স্কুলছাত্র পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। শামিম উপজেলার কদমহাজির মোড় এলাকার মৃত টেবলু মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় একটি স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়তো।

এলাকাবাসী জানায়, শনিবার দুপুরে শামিম পানিতে ডুবে যাওয়ার পর অনেক খোঁজাখুজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। রাজশাহী থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল দীর্ঘ সময় পদ্মার তলদেশে সন্ধান চালিয়েও ব্যর্থ হয়।

পরে রোববার বিকাল ৫টার দিকে ডুবে যাওয়া স্থান থেকে প্রায় ৫’শ গজ দুরে ভাটোপাড়া এলাকায় শামিম হোসেনের মরদেহ ভেসে ওঠে। এ সময় স্থানীয়রা মরদেহটি উদ্ধার করে তার পরিবারের লোকজনকে খবর দেন। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।