ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কর্ণফুলী নদীতে ফিশিং ভেসেলে বিস্ফোরণ: দগ্ধ ৬ নাবিকের ৩ জন আশঙ্কাজনক, ঢাকায় প্রেরণ

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর সদরঘাট এলাকায় নোঙর করে রাখা একটি মাছ ধরার ট্রলারে (ফিশিং ভেসেল) আকস্মিক বিস্ফোরণ থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই নৌযানের ছয়জন নাবিক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর পৌনে ১টার দিকে ট্রলারের ইঞ্জিন কক্ষে বিকট শব্দের পর এই আগুনের সূত্রপাত হয়।

দগ্ধদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় আশু উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকি তিনজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নৌ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে ‘এফভি দেশ’ নামের ফিশিং ভেসেলটি সদরঘাটের সাম্পানঘাট সংলগ্ন মুরিং বয়ায় এনে নোঙর করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ করেই জাহাজটির ইঞ্জিন রুমের ভেতর বিকট বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার পর দগ্ধ ও আহত অবস্থায় সাতজন নাবিককে উদ্ধার করে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর একজন হাসপাতাল ছাড়লেও বাকি ছয়জনকে গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয়।

চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দগ্ধদের মধ্যে তিনজনের শরীরের শতভাগই পুড়ে গেছে। শ্বাসনালীসহ পুরো শরীর দগ্ধ হওয়া এই তিন নাবিক হলেন—

আশিকুজ্জামান তামিম (২২)— নৌযানের প্রকৌশলী

মো. রুবেল (৩২)— নাবিক

শাহ আলম (৪০)— নাবিক

অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চমেক হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁদের দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।

এছাড়া অপর তিন নাবিক বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁরা হলেন—

নিজাম উদ্দিন (৩৭)

মো. রাসেল (৩৫)

ছিদ্দিক আহমেদ (৫০)

সদরঘাট নৌ থানা পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে এবং ইঞ্জিন কক্ষের বিস্ফোরণের উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রোগীদের স্বস্তি দিতে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইপিএস-সোলার ও ফ্যান

কর্ণফুলী নদীতে ফিশিং ভেসেলে বিস্ফোরণ: দগ্ধ ৬ নাবিকের ৩ জন আশঙ্কাজনক, ঢাকায় প্রেরণ

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর সদরঘাট এলাকায় নোঙর করে রাখা একটি মাছ ধরার ট্রলারে (ফিশিং ভেসেল) আকস্মিক বিস্ফোরণ থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই নৌযানের ছয়জন নাবিক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর পৌনে ১টার দিকে ট্রলারের ইঞ্জিন কক্ষে বিকট শব্দের পর এই আগুনের সূত্রপাত হয়।

দগ্ধদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় আশু উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকি তিনজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নৌ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে ‘এফভি দেশ’ নামের ফিশিং ভেসেলটি সদরঘাটের সাম্পানঘাট সংলগ্ন মুরিং বয়ায় এনে নোঙর করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ করেই জাহাজটির ইঞ্জিন রুমের ভেতর বিকট বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার পর দগ্ধ ও আহত অবস্থায় সাতজন নাবিককে উদ্ধার করে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর একজন হাসপাতাল ছাড়লেও বাকি ছয়জনকে গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয়।

চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দগ্ধদের মধ্যে তিনজনের শরীরের শতভাগই পুড়ে গেছে। শ্বাসনালীসহ পুরো শরীর দগ্ধ হওয়া এই তিন নাবিক হলেন—

আশিকুজ্জামান তামিম (২২)— নৌযানের প্রকৌশলী

মো. রুবেল (৩২)— নাবিক

শাহ আলম (৪০)— নাবিক

অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চমেক হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁদের দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।

এছাড়া অপর তিন নাবিক বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁরা হলেন—

নিজাম উদ্দিন (৩৭)

মো. রাসেল (৩৫)

ছিদ্দিক আহমেদ (৫০)

সদরঘাট নৌ থানা পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে এবং ইঞ্জিন কক্ষের বিস্ফোরণের উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে।