ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণতান্ত্রিক নবযাত্রার সূচনালগ্নে জাবিতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত

  • অনলাইন ডেস্ক,
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 103

গণতান্ত্রিক নবযাত্রার সূচনালগ্নে জাবিতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ-উত্তর গণতান্ত্রিক নবযাত্রার সূচনা উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার পাদদেশে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক শামীমা সুলতানার উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ করা যায়।

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)-এর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, ‘আজকে এই গণতান্ত্রিক শুভসূচনা লগ্নে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের আয়োজন করেছে। যখনই এই দেশ, এই দেশের মানুষ পথ হারিয়েছে, আমরা কিন্তু জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে আমাদের সেই পথকে খুঁজে পেয়েছি। ২০২৪-এ গণ-অভ্যুত্থানেও জাতীয় সংগীত আমাদেরকে নতুনভাবে আমাদের উদ্যমী করে তুলেছিল। আজকেও এই গণতান্ত্রিক শুভ সূচনার লগ্নে আমাদের আবারও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে আমরা আগামীর একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।

অধ্যাপক শামীমা সুলতানা উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘দল-মত-নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যাশা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বৈষম্যহীন ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়াই এ আয়োজনের লক্ষ্য।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আহত-নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের দুঃসময়ে অথবা দেশে অন্য কোনো সংকট তৈরি হলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সবার আগে প্রতিবাদে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এটা সবাই জানে।

আজকে নতুন সরকার শপথগ্রহণ করছে। নতুন বাংলাদেশ তৈরি করার জন্য, আমরা যে প্রতিজ্ঞা নিয়েছিলাম, আমাদের জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে যে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিলাম।’অনুষ্ঠানে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক শামসুল আলম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ছালেহ আহাম্মদ খান, গণিত বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, প্রক্টর একেএম রাশিদুল আলম, আইন ও বিচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তামান্না আজিজ তুলিসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জাকসুর নেতৃবৃন্দ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতারাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রোগীদের স্বস্তি দিতে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইপিএস-সোলার ও ফ্যান

গণতান্ত্রিক নবযাত্রার সূচনালগ্নে জাবিতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত

আপডেট সময় : ০৩:০৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ-উত্তর গণতান্ত্রিক নবযাত্রার সূচনা উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার পাদদেশে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক শামীমা সুলতানার উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ করা যায়।

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)-এর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, ‘আজকে এই গণতান্ত্রিক শুভসূচনা লগ্নে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের আয়োজন করেছে। যখনই এই দেশ, এই দেশের মানুষ পথ হারিয়েছে, আমরা কিন্তু জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে আমাদের সেই পথকে খুঁজে পেয়েছি। ২০২৪-এ গণ-অভ্যুত্থানেও জাতীয় সংগীত আমাদেরকে নতুনভাবে আমাদের উদ্যমী করে তুলেছিল। আজকেও এই গণতান্ত্রিক শুভ সূচনার লগ্নে আমাদের আবারও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে আমরা আগামীর একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।

অধ্যাপক শামীমা সুলতানা উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘দল-মত-নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যাশা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বৈষম্যহীন ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়াই এ আয়োজনের লক্ষ্য।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আহত-নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের দুঃসময়ে অথবা দেশে অন্য কোনো সংকট তৈরি হলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সবার আগে প্রতিবাদে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এটা সবাই জানে।

আজকে নতুন সরকার শপথগ্রহণ করছে। নতুন বাংলাদেশ তৈরি করার জন্য, আমরা যে প্রতিজ্ঞা নিয়েছিলাম, আমাদের জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে যে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিলাম।’অনুষ্ঠানে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক শামসুল আলম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ছালেহ আহাম্মদ খান, গণিত বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, প্রক্টর একেএম রাশিদুল আলম, আইন ও বিচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তামান্না আজিজ তুলিসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জাকসুর নেতৃবৃন্দ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতারাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।