ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইভ্যালির রাসেল-নাসরিনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

ইভ্যালির রাসেল-নাসরিনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

  • প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল এবং প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন আসামিদের অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. নাজমুল ইসলাম তালুকদার বলেন, কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরো তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামিরা উপস্থিত ছিলেন না।

এ জন্য আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা প্রতারণার উদ্দেশ্যে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করেছেন। বিভিন্ন সময়ে কম্পানিটি তাদের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্যের অফার দেয়। কম্পানির এই বিজ্ঞাপন দেখে বাদী সাদিকুর রায়হান ২০২১ সালের ২০ মার্চ তিনটি মোটরসাইকেল অর্ডার করেন।

নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মোটরসাইকেলগুলো বাদীকে হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হন। এরপর বাদীকে সিটি ব্যাংকের দুটি চেক প্রদান করেন। বাদী ২০২২ সালের ১২ এপ্রিল চেক দুটি নগদায়ন করতে গেলে তা ফেরত আসে। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর সাদিকুর রায়হান বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
 

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রোগীদের স্বস্তি দিতে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইপিএস-সোলার ও ফ্যান

ইভ্যালির রাসেল-নাসরিনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৪:১৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল এবং প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন আসামিদের অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. নাজমুল ইসলাম তালুকদার বলেন, কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরো তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামিরা উপস্থিত ছিলেন না।

এ জন্য আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা প্রতারণার উদ্দেশ্যে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করেছেন। বিভিন্ন সময়ে কম্পানিটি তাদের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্যের অফার দেয়। কম্পানির এই বিজ্ঞাপন দেখে বাদী সাদিকুর রায়হান ২০২১ সালের ২০ মার্চ তিনটি মোটরসাইকেল অর্ডার করেন।

নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মোটরসাইকেলগুলো বাদীকে হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হন। এরপর বাদীকে সিটি ব্যাংকের দুটি চেক প্রদান করেন। বাদী ২০২২ সালের ১২ এপ্রিল চেক দুটি নগদায়ন করতে গেলে তা ফেরত আসে। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর সাদিকুর রায়হান বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।