ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমিকম্পের পর চলছে উদ্ধার তৎপরতা

  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৫
  • 369

2047
৭.৫ মাত্রার শক্তিশালি ভূমিকম্প লন্ডভন্ড করে দিয়ে গেছে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের বিরাট এলাকা। ইতিমধ্যে দুদেশের ৩৩৫ জন মারা গেছেন। উদ্ধারকর্মীরা প্রত্যন্ত এলকাগুলোতে ত্রাণ পৌছানোর জন্য তৎপরতা চালাচ্ছেন। গতকালের ভূমিকম্পের পর আফটারশকের আশঙ্কায় হাজারো মানুষ তীব্র শীতের মধ্যে উন্মুক্ত স্থানে রাত পার করেছেন। পাকিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লতিফ উর রেহমান পেশোয়ার থেকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, উদ্ধার তৎপরতা চলছে। মানুষদের তাবু, কম্বল এবং সিøপিং ম্যাট সরবরাহ করা হচ্ছে। পাকিস্তানের সামরিক ও বেসামরিক কর্তৃপক্ষ আক্রান্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকাজ জোরদার করার জন্য কয়েকটি হেলিকপ্টার পাঠিয়েছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানে মারা গেছেন কমপক্ষে ২৫৩ জন। আর আফগানিস্তানে কমপক্ষে ৮২ জন। সবমিলিয়ে প্রাণহানির সংখ্যা ৩৩৫ জন। আহত হয়েছেন ২ সহস্রাধিক মানুষ। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্য সফরে থাকা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশে ফিরেছেন। এদিকে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহায়তা করার জন্য দেশের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। উত্তর আফগানিস্তানে পারওয়ান প্রদেশের এক নিবাসি হিকমত ফাসি বলেছেন, ভুমিকম্পে ওই এলাকায় বহু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি অনেক ভবন ধসে পড়তে দেখেছেন বলে জানান। গতকালের ভুকম্পনটি ভারত ও পাকিস্তানের রাজধানী নয়া দিল্লি ও ইসলামাবাদেও অনুভূত হয়েছে। দু দেশের কর্তৃপক্ষই শক্তিশালি আফটারশকের সতর্কতা জানিয়েছে। এদিকে, ভুমিকম্পের বিপর্যয় মোকাবেলায় আফগানিস্তানকে মানবিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রোগীদের স্বস্তি দিতে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইপিএস-সোলার ও ফ্যান

ভূমিকম্পের পর চলছে উদ্ধার তৎপরতা

আপডেট সময় : ১০:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৫

2047
৭.৫ মাত্রার শক্তিশালি ভূমিকম্প লন্ডভন্ড করে দিয়ে গেছে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের বিরাট এলাকা। ইতিমধ্যে দুদেশের ৩৩৫ জন মারা গেছেন। উদ্ধারকর্মীরা প্রত্যন্ত এলকাগুলোতে ত্রাণ পৌছানোর জন্য তৎপরতা চালাচ্ছেন। গতকালের ভূমিকম্পের পর আফটারশকের আশঙ্কায় হাজারো মানুষ তীব্র শীতের মধ্যে উন্মুক্ত স্থানে রাত পার করেছেন। পাকিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লতিফ উর রেহমান পেশোয়ার থেকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, উদ্ধার তৎপরতা চলছে। মানুষদের তাবু, কম্বল এবং সিøপিং ম্যাট সরবরাহ করা হচ্ছে। পাকিস্তানের সামরিক ও বেসামরিক কর্তৃপক্ষ আক্রান্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকাজ জোরদার করার জন্য কয়েকটি হেলিকপ্টার পাঠিয়েছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানে মারা গেছেন কমপক্ষে ২৫৩ জন। আর আফগানিস্তানে কমপক্ষে ৮২ জন। সবমিলিয়ে প্রাণহানির সংখ্যা ৩৩৫ জন। আহত হয়েছেন ২ সহস্রাধিক মানুষ। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্য সফরে থাকা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশে ফিরেছেন। এদিকে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহায়তা করার জন্য দেশের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। উত্তর আফগানিস্তানে পারওয়ান প্রদেশের এক নিবাসি হিকমত ফাসি বলেছেন, ভুমিকম্পে ওই এলাকায় বহু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি অনেক ভবন ধসে পড়তে দেখেছেন বলে জানান। গতকালের ভুকম্পনটি ভারত ও পাকিস্তানের রাজধানী নয়া দিল্লি ও ইসলামাবাদেও অনুভূত হয়েছে। দু দেশের কর্তৃপক্ষই শক্তিশালি আফটারশকের সতর্কতা জানিয়েছে। এদিকে, ভুমিকম্পের বিপর্যয় মোকাবেলায় আফগানিস্তানকে মানবিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।